দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) স্বদেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে ফিরছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) স্বদেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে ফিরছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
বুধবার বিকেলে তারেক রহমানের উপদেষ্টা ডা. মাহদী আমিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া ১০টি প্রশ্ন ও তার জবাব দিয়েছেন। পাঠকদের জন্য তা নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:
১. ফ্লাইটে কারা থাকছেন? তারেক রহমানের সঙ্গে একই ফ্লাইটে ফিরছেন তাঁর স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
২. কখন অবতরণ করবেন? ফ্লাইটটি আগামীকাল সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। অবতরণের পর তাকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও নিরাপত্তা দেওয়া হবে।
৩. দিনের কর্মসূচি কী? তারেক রহমানের প্রথম অগ্রাধিকার হলো এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁর অসুস্থ মা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাওয়া। তবে পথে ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফিট) এলাকায় তিনি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য দেশবাসীর উদ্দেশ্যে কৃতজ্ঞতা জানাবেন। এরপর হাসপাতাল হয়ে তিনি গুলশানের নিজ বাসভবনে যাবেন।
৪. গণঅভ্যর্থনার স্থান হিসেবে ‘৩০০ ফিট’ কেন? জনদুর্ভোগ এড়াতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা মানিক মিয়া এভিনিউয়ের মতো কেন্দ্রস্থলগুলো এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। শহরের একপাশে ৩০০ ফিট চওড়া সড়কের শুধুমাত্র এক পাশের সার্ভিস লেন ব্যবহার করা হবে, যাতে মূল ট্রাফিক সচল থাকে।
৫. এটি কি কোনো বিশাল সংবর্ধনা? না, এটি কোনো প্রথাগত জনসভা নয়। এটি কেবল দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও দোয়ার একটি সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি। এখানে তারেক রহমানই একমাত্র বক্তা হিসেবে কথা বলবেন।
৬. জনভোগান্তি কমাতে উদ্যোগ কী? পুরো ঢাকায় ২০টি মেডিকেল ক্যাম্প, ৬ শয্যার অস্থায়ী ফিল্ড হাসপাতাল, আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স, বিশুদ্ধ পানি এবং মোবাইল টয়লেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন শৃঙ্খলা রক্ষায়।
৭. বিমানবন্দর যাত্রী ও জরুরি সেবার জন্য কী ব্যবস্থা? বিমানবন্দরগামী যাত্রী ও অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাকলী, বিমানবন্দর গোলচত্বর ও আব্দুল্লাহপুরে বিশেষ 'হেল্প ডেস্ক' থাকবে। প্রয়োজনে মোটরবাইক এসকর্টের মাধ্যমে জরুরি যানবাহন পার করে দেওয়া হবে।
৮. ২৫ ডিসেম্বর কেন বেছে নেওয়া হলো? বড়দিন উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় এবং পরবর্তী দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা তিন দিনের ছুটিতে যানজট ও নাগরিক ভোগান্তি সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকবে—এই বিবেচনাতেই দিনটি বেছে নিয়েছেন তারেক রহমান।
৯. নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা কী? শান্তিপূর্ণ আচরণ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নেতাকর্মীদের ঢাকার মূল কেন্দ্রে না ঢুকে কাঞ্চন ব্রিজ ও ঢাকার প্রবেশমুখগুলোতে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।
১০. এই প্রত্যাবর্তনের তাৎপর্য কী? এই ফেরা কেবল একজন নেতার প্রত্যাবর্তন নয়; এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আন্দোলনের এক নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...