ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার পোলিং এজেন্টদের একাধিক কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন কমিশনের আইন লঙ্ঘন করে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ (খিলগাঁও-সবুজবাগ-মুগদা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার পোলিং এজেন্টদের একাধিক ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া এবং বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১২টার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই অভিযোগ করেন।
তাসনিম জারা তাঁর পোস্টে ৫৪, ১২৫, ১৬৪, ১৬৫ ও ১৬৭ নম্বর কেন্দ্রের উদাহরণ টেনে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেছেন:
ভোটার হওয়ার শর্ত: এজেন্টরা সংশ্লিষ্ট আসনের ভোটার নন—এমন অজুহাতে তাদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। অথচ আইন অনুযায়ী পোলিং এজেন্টকে ওই আসনের ভোটার হওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
নারী কেন্দ্রে পুরুষ এজেন্ট: কয়েকটি নারী ভোটকেন্দ্রে তাঁর পুরুষ এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে, যা নির্বাচনী আইনের পরিপন্থী।
প্রবেশের সময়সীমা: ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেছে অজুহাতে অনেক এজেন্টকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ আইন অনুযায়ী ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত যেকোনো সময় এজেন্টরা কেন্দ্রে ঢুকতে পারেন।
অতিরিক্ত নথির দাবি: এনআইডি এবং বৈধ নিয়োগপত্র থাকা সত্ত্বেও অনেক কেন্দ্রে 'ফুটবল' (প্রতীক) সংশ্লিষ্টতার অতিরিক্ত প্রমাণ বা দলীয় পরিচয়পত্র দাবি করা হয়েছে।
এই চিকিৎসক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব বলেন, এ ধরনের ঘটনা ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতাকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তিনি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতি জরুরি ভিত্তিতে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন যাতে সব কেন্দ্রে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়।
ঢাকা-৯ আসনে ফুটবল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন তাসনিম জারা। তাঁর এই অভিযোগের পর সংশ্লিষ্ট এলাকার কেন্দ্রগুলোতে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...